
Percy Bysshe Shelley | |
| জীবনকাল | Birth: 1792 Death: 1822 (আড্রিয়াটিক সাগর অতিক্রমকালে ঝড়ের কবলে পড়লে তিনি সাগরে ডুবে মারা যান) |
| পরিচিতি | বিখ্যাত ইংরেজ কবি P. B. Shelley ছিলেন নাস্তিকতাবাদে বিশ্বাসী। ১৮১১ সালে তিটি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় হতে বহিষ্কৃত হন তাঁর The Necessity of Atheism গ্রন্থেরজন্য। তিনি বিশ্বাস করতেন যে একমাত্র বিপ্লবই সমাজ পরিবর্তন করতে পারে। এজন্য তাঁকে Revolutionary Poet বলা হয়। তবে তিনি ইংরেজি সাহিত্যের Romantic কবিদের অন্যতম। |
| বিখ্যাত গ্রন্থ |
|
| Important Quotations |
|
১৭৯২ সালের ৪ আগষ্ট ইংল্যান্ডের হোরসাম সাসেক্সের নিকটবর্তী ফিল্ডপ্লেস নামক স্থানে ইংরেজি ভাষার বিখ্যাত কবি শেলি জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা টিমোথি শেলি ছিলেন একজন ধনাঢ্য ব্যক্তি। প্রচুর সহায়সম্পদ ছিল তাঁর। শেলির প্রাথমিক শিক্ষার হাতেখড়ি হয় বোনদের তত্ত্বাবধানে নিজ গৃহেই।
১৮২২ সালের গ্রীস্মকালে সমুদ্রতীরে নৌকা ভ্রমণকালে ঝড়ের কবলে পড়ে নৌকাডুবি হয়ে এই মহান কবি মৃত্যুবরণ করেন। তার বিখ্যাত বইগুলো হচ্ছে, 'কুইন ম্যাব', 'অ্যালাট্টার', 'দি রিভোল্ট অব ইসলাম', এডোনিস', 'দি ডিফেন্স অব পোয়েট্রি' ইত্যাদি।
Brief History :
He (1792-1822) was one of the major English Romantic poets and is crit-ically regarded as among the finest lyric poets in the English language. He is known as the revolutionary poet of English literature. His own wife Mary Shelley was also an author who wrote Frankenstein.
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
i. Shelley হলেন Romantic যুগের অন্যতম একজন শ্রেষ্ঠ Romantic কবি।
ii. তিনি নদীতে ডুবে মৃত্যুবরণ করেছিলেন। [জুলাই মাসের ৮ তারিখ। শেলীর বন্ধু উইলিয়ামকে সঙ্গে নিয়ে নিজের ক্ষুদ্র নৌকাটা আনার জন্যে বেরিয়ে গেলেন। সেদিন সন্ধ্যায় শুরু হল প্রচন্ড ঝড় বৃষ্টি। সেই ঝড়ের মুখে পড়ে শেলীর নৌকা গেল ডুবে। পনের দিন পরে তাঁদের মৃতদেহ ভেসে উঠল সমুদ্রের তটভূমিতে। শেলীর পকেটে তখন ছিল সফোক্লিস ও কীটসের কবিতার বই]
iii. তিনি ছিলেন একজন- Revolutionary poet.
iv. Shelley'র The West Wind কবিতায় The West Wind কে বলেন ধ্বংশকারী ও রক্ষাকারী (Destroyer & Preserver) হিসেবে।
v. P.B. Shelley'র স্ত্রী Mary Shelley-র বিশ্ববিখ্যাত Novel এর নাম Frankenstein (ফ্রাঙ্কেনস্টাইন) বা The Modern Prometheus.
vi. Shelley উচ্চশিক্ষার জন্য Oxford University তে ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু নাস্তিকতাকে সমর্থন করে The Necessity of Atheism লেখার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন।
vii. তার রচিত ২টি নাটক হলো Cenci ও Prometheus Unbound। দুটি নাটকই tregedy (বিয়োগাত্মক)
viii. তার সাহিত্য সমালোচনামূলক গ্রন্থ হলো- A Defence of Poetry.
ix. Shelley'র সমসাময়িক অন্যান্যরা অনুপ্রানিত হয়েছিলেন- French Revolution দ্বারা। কিন্তু Shelley ছিলেন ব্যতিক্রম।
x. Shelley ছিলেন একজন Optimistic & Pessimistic (আশাবাদী এবং নিরাশাবাদী/নৈরাশ্যবাদী)।
xi. তার প্রথম দীর্ঘ কবিতা- “Queen Mab”
Famous works of Shelley:
শেলীর প্রথম রচিত কাব্য হল "কুইন ম্যাব” (১৮১৩)। পরবর্তী কাব্য হল “অ্যালাস্টার” (১৮১৫), "দি রিভোল্ট অব ইসলাম” (১৮১৭) ইতালিতে বাস করার সময় শেলী যে কাব্য এবং নাটকগুলি রচনা করেছেন তা হলো, "প্রমিথিউস আনবাউ” (১৮১৮-১৯), “দি চেনসি” (১৮১৯). “জুলিয়ান এ ম্যাড্ডালো” (১৮১৮), "দি মাস্ক অব এনার্কি” (১৮১৯). "দি উইচ অব এটলাস” (১৮২০)।
- Adonais. (প্লেটোর দার্শনিক মতবাদের প্রকাশ তাঁর "এডোসিন” কাব্যে। কাব্যটি শোকগাথা। কবি কীটসের মৃত্যু উপলক্ষে রচিত। কিন্তু কাব্যটির মধ্যে যে সত্যের মর্মকথা তিনি প্রকাশ করলেন তা হল মানুষের জীবন ছায়াবাজির মত চঞ্চল, ও ক্ষণস্থায়ী। কিন্তু আত্মাই অবিনাশী। মৃত্যু ও তাকে ধ্বংস করতে পারে না। মৃত্যু তাকে মুক্ত করে অনত্মের সঙ্গে যুক্ত করে দেয়। মৃত্যুর পর আত্মা পরমাত্মায় বিলীন হয়ে যায়। এই পরমাত্মা হল স্বয়ং ঈশ্বর।)
- Ode to the West Wind. (পশ্চিমা সমীরণের গান: তিনি পশ্চিমা বায়ুকে destroyer and preserver হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন) [এটা তার সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতা।
- Ode to a Skylark (ভরত পক্ষীর গান)
- The Cloud
- Ozaymandias (a famous sonnet) [Main theme: All thing of great and small will perish.]
- The Revolt of Islam (এটি শেলির বিখ্যাত কবিতা)
- A Defense of Poetry (তাঁর সাহিত্য বিষয়ক প্রবন্ধ হলো "দি ডিফেন্স অব পোয়েট্রি” (১৮২১)।}
- The Necessity Atheism ("দি নেসেসিটি অব এ্যাথেইজম” (নাস্তিকতার প্রয়োজনীয়তা)। আত্মপ্রকাশ করার সঙ্গে সঙ্গে ঝড় উঠল। শেলী এবং তার বন্ধু টমাস হগকে বিদায় নিতে হল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।)
- Cenci (একটি Tragedy)
- Prometheus Unbound (a four act play/tragedy) {“প্রমিথিউস আনবাউন্ড” (১৮১৮-১৯)} 'প্রমিথিউস আনবাউন্ডে” তিনি প্রমিথিউসকে একজন আপসহীন মানব প্রেমিকরূপে চিত্রিত করছেন এবং বিশ্বকে মুক্ত করে প্রেমের দ্বারা পরিশোধিত করতে চেয়েছেন। ইংলেন্ড ছেড়ে চলে যেতে তিনি বাধ্য হয়েছিলেন। কিন্তু শেলী যে অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশ ছেড়ে চলে গেলেন তাতে তিনি নিজেকে প্রমিথিউস-এর মতই মনে করেছেন। মানব-প্রেমিক প্রমিথিউস মানবের কল্যাণের জন্য দেবতাদের নিজস্ব ধন আগুনকে আহরণ করে মানুষকে তা উপহার দিয়েছিলেন। মানব বিদ্বেষী দেবরাজ জুপিটারের কড়া আদেশ ছিল মানুষকে আগুনের ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। সে আদেশ অমান্য করেছিলেন প্রমিথিউস। ফলে জুপিটারের নির্দেশে প্রমিথিউসকে বন্দী করে হাতে-পায়ে শিকল এঁটে পাহাড়ের গায়ে বেঁধে রাখা হয় এবং প্রচণ্ড নির্যাতন করা হয়। কিন্তু প্রমিথিউস শত দুঃখ-কষ্ট, বেদনা ও নির্যাতন সহ্য করেছেন তবু নতজানু হয়ে দেবরাজের কাছে আত্মসমর্পণ করেননি। বরং বুক পেতে দুঃখ-কষ্ট সহ্য করে মৃত্যুকে অমৃতের মত পান করে তিনি মৃত্যুঞ্জয়ী হয়ে গেলেন। প্রমিথিউসের সংগ্রাম ছিল স্বেচ্ছাচারী টাউরান্ট বলে অভিযুক্ত করেছেন। মানব-বিদ্বেষী বলে তাকে নিন্দা করেছেন। প্রমিথিউসের এই বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের কাহিনীকে প্রথম রূপদান করেন গ্রীক নাট্যকার ইস্কাইলাস। শেলী গ্রীক নাট্যকারের সেই ভাবনাকে যুগোপযোগী করে আরো তীক্ষ তীব্র করে নাট্যরূপ দিয়েছেন। আপসহীন সংগ্রাম এবং চিরজয়ী প্রেমের বাণী ঘোষিত হয়েছে "প্রমিথিউস আনবাউন্ডে”।
পার্শি বিশি শেলির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কবিতা মনে রাখার শর্ট টেকনিক: Ozyamandias ও Adonis আকাশে (sky), বাতাসে (wind), মেঘের (cloud) উপর ঘুরে বেড়াচ্ছে.
Ozyamandias = Ozyamandias Adonais = Adonais আকাশে (sky) = To a Skylark বাতাসে (wind) = Ode to the West Wind মেঘের (cloud) = The Cloud |
Shelly এর Quotations মনে রাখার কৌশল:
Shelly থেকে Sweet, Song, Spring পড়লে নিচের Quotations মনে রাখা সহজ হবে।
- If winter comes, can spring be far behind? শীত যদি আসে, বসন্ত কি দূরে থাকে? (Ode to the West Wind)
- Our sweetest songs are those that tell of saddest thought. ("To a Skylark")
(The speaker refers to the inherent dichotomy of life: to know joy, we need to know pain. the most beautiful songs contain some element of anguish, perhaps not textually, but in tone or implication.) - "We look before and after, And pine for what is not. ("To a Skylark")
- Poets are the unacknowledged legislators of the world (A Defense of Poetry world)
Ozyamandias
I met a traveller from an antique land
Who said: 'Two vast and trunkless legs of stone
Stand in the desert. Near them, on the sand,
Half sunk, a shattered visage lies, whose frown,
And wrinkled lip, and sneer of cold command,
Tell that its sculptor well those passions read
Which yet survive, stamped on these lifeless things,
The hand that mocked them and the heart that fed.
And on the pedestal these words appear --
"My name is Ozymandias, king of kings:
Look on my works, ye Mighty, and despair!"
Nothing beside remains. Round the decay
Of that colossal wreck, boundless and bare
The lone and level sands stretch far away.'
প্রাচীন ভূমি থেকে আসা এক ভ্রমণকারীর সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়
যিনি বলেছিলেন: পাথরের দুই বিশাল ও বিচ্ছিন্ন পা,
মরুভূমিতে দাঁড়িয়ে ………… তাদের নিকটে, বালির উপরেও,
অর্ধ ডুবন্ত/ঘুমন্ত, এক চূর্ণবিচূর্ণ মুখমন্ডল শুয়ে আছে, যার ভ্রুকুটি,
এবং ভাঁজপড়া ঠোঁট ও শান্ত আদেশের অবজ্ঞাসূচক চাহনি,
বলে যে, এটির ভাস্কর পড়েছিল প্রাণহীন এসব বস্তুর পরে,
যে হাত তাদের করেছিল তামাসা এবং যে হৃদয় হয়েছিল তীব্র হতাশ
এবং স্তম্ভেও ভিত্তির উপরেও উঁকি মারে এ কথামালা-
আমার নাম ওজিম্যানডিয়াস, রাজাদের রাজা:
আমার কর্মের দিকে তাকাও, হে পরাক্রমশালী এবং হতাশ হও!
কোন কিছুই নেই টিকে, বিশাল ধ্বংসের চারিপাশে,
সীমাহীন ও নগ্ন, সবকিছু
নিঃসঙ্গ ও সমতল মরু টেনেহিচড়ে নিয়ে গেছে অনেক দূরে।
ওড টু দি ওয়েষ্ট উইন্ড এর সারাংশ:
'Ode to the West Wind' কবিতাটি কবি শেলীর একটি অসাধারণ প্রতীকধর্মী কবিতা। এই কবিতার প্রথমপর্বে কবি পশ্চিমা বাতাসকে শরৎ-এর আত্মা হিসেবে বিশেষায়িত করেছেন। কারণ শরৎকালে পশ্চিমা বাতাস জীর্ণ ও শুকনো পাতাগুলোকে জাদুকরের মতো উড়িয়ে নিয়ে যায় এবং বীজগুলোকে বংশবিস্তারের জন্য বীজতলাতে পুঁতে রাখে। এই পশ্চিমা বায়ুই বসন্তকাল তুর্যধ্বনি বাজিয়ে বীজগুলোকে অঙ্কুরোদ্গম করে সমতলভূমিকে ফুলে ও গন্ধে পরিপূর্ণ করে। তাই কবি পশ্চিমা বায়ুকে ধ্বংসকারী ও রক্ষাকারী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্বে কবি পশ্চিমা বায়ুকে বৃষ্টি ও বজ্রপাতের দেবদূত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কারণ পশ্চিমা বায়ু নীল আকাশে মেঘ বৃষ্টি সৃষ্টি করে এবং ঝড়ের পূর্বাভাস বলে দেয়। তাছাড়া এই অদম্য বায়ু ঘুমন্ত ভূমধ্যসাগরকে স্বপ্ন থেকে জাগিয়ে তোলে এবং আটলান্টিক মহাসাগরের শক্তিশালী ঢেউগুলোকে দ্বিখণ্ডিত করে। রোমান সম্রাটদের ধ্বংসপ্রাপ্ত রাজ্যপ্রাসাদ এবং সাগরের উপরিভাগে প্রাণশক্তিহীন পত্রপল্লব যেন পশ্চিমা বায়ুর বয়ে চলা থেকে নতুন প্রাণ পায়।
চতুর্থ পর্বে কবি অনিয়ন্ত্রিত পশ্চিমা বায়ুর সাথে একাত্ম হতে চেয়েছেন। কবি বলেছেন যে, সে যদি শুকনো পাতা দ্রুতগামী মেঘ বা সাগরের ঢেউ হতো, তাহলে পশ্চিমা বায়ুর সাথে বয়ে চলতে পারত। কিন্তু সে এখন বৃদ্ধ, নত, সময়ের ভারী বোঝায় শৃঙ্খলিত, জীবনের রূঢ় বাস্তবতার কাঁটায় বিদ্ধ ও রক্তাক্ত। কবি আক্ষেপ করে বলেছেন যে, শৈশবে সেও ছিল এই বায়ুর মতোই দুর্দমনীয় ও গতিময়।
জীবন যন্ত্রণায় ক্ষতবিক্ষত কবির অন্তরাত্মা। তাই শেষ পর্বে কবি বলেছেন, হে পশ্চিমা বাতাস, আমাকে তোমার বীণা হিসেবে বাজাও, আমি মিশে যেতে চাই তোমার সাথে, ভুলে যেতে চাই সকল বেদনাভার। কবি আরো বলেছেন যে, পশ্চিমা বাতাস যেন কবির আত্মাকে তার মতো শক্তিশালী করে এবং কবির নিজের চিন্তাগুলোকে বিশ্বমানবের মাঝে ছড়িয়ে দেয়। একমাত্র পশ্চিমা বায়ুই পারবে কবির দৈব্যবাণীগুলো কণ্ঠে ধারণ করে নিদ্রাচ্ছন্ন পৃথিবীকে জাগিয়ে তুলতে। কবি মূলত পুরাতন জীর্ণতাকে পরিহার করে নতুন আবরণে সজ্জিত হওয়ার এক তীব্র আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন।
'ওড্ টু দ্য ওয়েস্ট উইন্ড' (Ode to the West Wind): সত্যযুগ বা স্বর্ণযুগ (millenium) পৃথিবীতে আসবেই এই এখানেও উচ্চারিত " শীত যদি আসে বসন্ত কি বেশী দূরে? O West Wind, If Winter comes, Can Spring be far behind?"
Read more